নামাযের সুন্নাত, মুস্তাহাব ও মাকরুহ কার্যাবলি এবং নামায ফাসিদ হওয়ার কারণসমূহ

1
200
নামাযের সুন্নাত, মুস্তাহাব ও মাকরুহ কার্যাবলি এবং নামায ফাসিদ হওয়ার কারণসমূহ
নামাযের সুন্নাত, মুস্তাহাব ও মাকরুহ কার্যাবলি এবং নামায ফাসিদ হওয়ার কারণসমূহ

নামাযের সুন্নাত, মুস্তাহাব ও মাকরুহ কার্যাবলি
এবং নামায ফাসিদ হওয়ার কারণসমূহ

  • ১. তকবিরে তাহরিমার জন্য উভয় হাত কান পর্যন্ত উঠানাে,
    ২. তাকবিরে তাহরিমার সময় আঙ্গুল খোলা রাখা,
    ৩. ইনমের জন্যে তাকবির উচ্চস্বরে বলা,
    ৪. সন পাঠদা,
    ৫. অউবিহ, বিসমিল্লাহ ও সুরা ফাতিহার পর আমিন বল,
    ৬. উনি হাত বাম হাতের উপর রেখে নাভির নীচে বাঁধা,
    ৭ তে যাওয়ার সময় এবং উঠার সময় তাকবির বল,
  • ৮ কুতে তিনবার তাসবিহ পড়া,
    ১০.আঙ্গুলগুলো করা,
    ১১.সিজনায় যাওয়ার সময় তাকবির বলা,
    ১১.তিনবার সিজদার তসবিহ পড়া,
    ১৩ সিজদায় যাবার সময় প্রথমে হাঁটু অতঃপর উভয় হাত মাটিতে
    ৫.বসর সময় বম পা বিছিয়ে দেয় এবং তা প দাড় করিয়ে
    ১৫.দুরুদ শরিফ পড়া,
  • ১৬. দোয়া মাছুরা পড়া,
    ১৭. মুক্তাদি ইমামের তাহরিমার সাথে সাথেই তাহরিমা বাধা,
    ১৮.ফজর এবং যুহরের নামাযে তিওয়ালে মুফাস্সাল, আসর এবং
    ইশার নামাযে আওসাতে মুফাস্সাল এবং মাগরিবের নামাযে
    কিরে মুফাস্সাল তিলাওয়াত করা (মারাকিল ফালাহ)।
    উল্লেখ্য যে, সুরা হুজুরাত থেকে সুরা বুরূজ পর্যন্ত সুরাগুলােকে
    তিওয়ালে মুফাস্সাল বলা হয় । আওসাতে মুফাস্সাল’ বলতে
    সুরা বুরূজ’ থেকে সুরা বায়্যিনাহ’ পর্যন্ত সুরাগুলােকে বুঝানাে
    হয় এবং সুরা যিলযাল থেকে সুরা নাস পর্যন্ত সুরাগুলােকে
    ‘কিসারে মুফাস্সাল’ বলা হয় (আহসানুল ফাতাওয়া)।
    ১৯. শুধুমাত্র ফজরের প্রথম রাকআতের কিরাআত দ্বিতীয় রাকআতের
    তুলনায় লম্বা করা,
    ২০.রুকু করার সময় মাথা এবং কোমর সমান রাখা,
    ২১.সিজদায় যাবার সময় মাটিতে প্রথমে হাঁটু, তারপর হাত,
    তারপর নাক এবং তারপর কপাল রাখা এবং ওঠার সময় প্রথমে
    কপাল, তারপর নাক তারপর হাত এবং তারপর হাঁটু ওঠানাে,
    ২২.সিজদা করার সময় উভয় হাত কান বরাবর রাখা এবং
    কিবলামুখী রাখা,
    ১০.বাহুদ্বয় পেট থেকে পৃথক রাখা এবং মাটি থেকেও উঁচু রাখা,
    ২৪. সিজদা থেকে ওঠার পর স্থিরভাবে বসা,
    ২৫.সিজদা করে দাঁড়াবার সময় হাঁটুতে ভর করে দাঁড়ানাে মুস্তাহাব
    (আলমগিরি),
    ২৬. রুকু থেকে ওঠার সময় ১ww ro
    নামায পড়ার সময় এটি শুধু ইমাম বলবেন, আর মুক্তাদি বলবে,
    ১। আ, একাকী নামায আদায়কারী (মুনফারিদ) ব্যক্তি
    ~ এবং 5j। এ উভয়টি বলবে। এটিই
    বিশুদ্ধ মত (হিদায়া)।
    ২৭.দাঁড়ানাে অবস্থায় সিজদার স্থানের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখা। রুকু
    করার সময় উভয় পায়ের পাতার পিঠের দিকে দৃষ্টি রাখা,

    সিজদার সময় নাকের ডগার দিকে এবং বসার সময় কোলের
    প্রতি দৃষ্টি রাখা।

  • ২৮. প্রথম স লামের সময় ডান দিকে এবং দ্বিতীয় সালামের সময়
    বাম দিকে চেহারা ফেরানাে সুন্নাত।
    ফকিহ আবু জাফর (র.) বলেছেন, সালাম ফেরানাের উত্তম
    পদ্ধতি হলাে, ইমাম ডান দিকে সালাম ফেরানাের পর মুক্তাদি
    ভান দিকে সালাম ফিরাবে এবং ইমাম বাম দিকে সালাম
    ফিরাবার পর মুক্তাদি বাম দিকে সালাম ফিরাবে (কাযি খান)।

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here